Tuesday, July 30, 2013

নিজে নিজে তৈরি করে ফেলুন একটি ছোট্ট ট্রানজিষ্টর টেষ্টার

ইলেকট্রনিক্স নিয়ে যারা নতুন অথবা বেশ কিছুদিন হয়ে গেল কাজ শুরু করেছেন , তাদের জন্য  এই মজার টিউনটি।  নিশ্চই এতদিনে খুব ভালো মত শিখে ফেলেছেন রেজিস্টর, কেপাসিটর, ডায়ড, ট্রানজিষ্টর এর কাজ। আজ আমরা ডায়ডের এবং ট্রানজিষ্টরের  মুল মন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে বানিয়ে ফেলব অতি জরুরী ট্রানজিষ্টর চেকার।  ইলেকট্রনিক্স এর কাজ করতে গেলে সবারি ট্রানজিষ্টর ব্যবহার করতেই হয়। আর যখনি ট্রানজিষ্টর তখনি চলে আসে কোনটা বেস, কোনটা ইমিটর আর কোনট কালেকটর । অথবা ট্রানজিষ্টরটা ভালো না খারাপ। এই কাজটি কয়এক সেকেন্ডে করে ফেলতে পারব নিচের সার্কিটটির মাধ্যমে।
আসুন এবার দেখি সার্কিটটি কিভাবে কাজ করছে :
এনপিএন ট্রানজিষ্টর এর ক্ষেত্রে :
  • প্রথমে ট্রানজিষ্টরকে সার্কিটে ইমিটর , বেস , কালেক্টর পয়েন্ট এ কানেক্ট কারতে হবে।
  • ট্রান্সফরমার থেকে যখন প্রথম হাফ সাইকেল ট্রানজিষ্টরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তখন ইমিটর, বেস জাংশন ফরয়ার্ড বায়সড হয়ে  ট্রনজিষ্টরটি অন হচ্ছে এবং ডায়ড D1  ফরয়ার্ড বায়সড  হবে । ফলে সবুজ লিডটি জলে উটবে।  এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ট্রানজিষ্টরের বেস, ইমিটর, কালেকটর লেগ নির্নয় করতে পারব। অন্যথায় বুঝতে হবে যে ট্রানজিষ্টরটি এনপিএন না।
  • ভেরিএবল রেজিষ্টর পরিবর্তন করে আমরা বেস কারেন্ট চেক করতে পারব। ভেরিএবল পরিবর্তন করলে সবুজ লাইট কম/বেশি জলবে। এতে বুঝতে পারব যে ট্রানজিষ্টরটি ভালো আছে।
পিএনপি ট্রানজিষ্টর এর ক্ষেত্রে :
  • প্রথমে ট্রানজিষ্টকে সার্কিটে ইমিটর , বেস , কালেক্টর পয়েন্ট এ কানেক্ট কারতে হবে।
  • ট্রান্সফরমার থেকে যখন  হাফ সাইকেল ট্রানজিষ্টরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তখন ইমিটর, বেস জাংশন ফরয়ার্ড বায়সড হয়ে  ট্রনজিষ্টরটি অন হচ্ছে এবং ডায়ড D2  ফরয়ার্ড বায়সড  হবে । ফলে লাল লিডটি জলে উটবে।  এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ট্রানজিষ্টরের বেস, ইমিটর, কালেকটর লেগ নির্নয় করতে পারব। অন্যথায় বুঝতে হবে যে ট্রানজিষ্টরটি পিএনপি না।
  • ভেরিএবল রেজিষ্টর পরিবর্তন করে আমরা বেস কারেন্ট চেক করতে পারব। ভেরিএবল পরিবর্তন করলে লাল লাইট কম/বেশি জলবে। এতে বুঝতে পারব যে ট্রানজিষ্টরটি ভালো আছে।
[বি: দ্র: ধরে নিব যে ট্রান্সফরমারের উপরের প্রান্ত পজিটিভ এবং নিচের প্রান্ত নিগেটিভ]
এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে একজন শুরুতে না জেনে কি করে বুঝবে যে আসলে কোন লাইট টা জললে কোন ট্রানজিষ্টর? ?????????? তাদের বোঝার সুবিধার্তে নিচের চিত্র টি দিলাম ।

চিত্র : ক

চিত্র : খ
*** ক চিত্র টি খেয়াল করুন। এনপিএন ট্রানজিষ্টর এর ইমিটর (-) সুতরাং এর জন্য যে ডায়ড টি ফরয়ার্ড বায়াসড হবে তার সাথে সংযুক্ত লাইট টি জলবে। তখন বুঝব সেটি এনপিএন ট্রানজিষ্টর । টিক বিপরীত টি হবে পিএন পি।
আশাকরি একটু ভালো ভাবে দেখলে বুঝতে পারবেন।
[সকলের বুঝার সুবিধার্থে টেকনিক্যাল ভাষা কম  ব্যবহার করলাম]
সকলের সুবিধার্থে পিসিবি লেআউট দেয়া হলো :
যা যা লাগবে :
১. ট্রান্সফরমার ..........................................(২২০/৬) ১টা
২. ডায়ড ................................................২ টা
৩. লিড (লাল এবং সবুজ)...................................১টা করে
টিউনটি কারো কাজে আসলে নিজেকে সার্থক মনে করব। ধন্যবাদ সবাইকে

কম খরচে তৈরি করুন ভেরিএবল ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই (পজিটিভ এবং নিগেটিভ)।

আমরা যারা ইলেকট্রনিক্স প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে খুব ভালোবাসি , বিশেষ করে তাদের জন্য আমার এই প্রথম টিউনটি।  বিভিন্ন বই  বা ইলেকট্রনিক্স সাইট ঘাটাঘাটি করে আনেক সুন্দর সুন্দর মজার ইলেকট্রনিক্স সার্কিট কালেকশন করে  বানাতে বসে যখন দেখা যায় পর্যাপ্ত ভোল্টেজ সাপ্লাই নাই তখন কেমন লাগতে পারে? নিশ্চই চুল ছিরতে ইচ্ছা করে? এই সমস্যা দুর করতে পারি আমরা খুবি সহজে। নিচের সার্কিট টি বানিয়ে নিলেই সমস্যার সমাধান। অল্প খরচের এই ভোল্টেজ সাপ্লাই টি দিয়ে আমরা আমাদের আরো অনেক কাজ সমাধান করতে পারি। তা একটু পরে আলোচনা করছি। চলুন এবার সার্কিটটা দেখি।
সার্কিটটি আসলে খুব সহজ । শুরুতেই আছে একটি ট্রান্সফরমার যা স্টেপ আপ ভোল্টেজ কে স্টেপ ডাউন করছে (যেমন : ২২০ থেকে ২,৫,১০.২০ ইত্যাদি)। ট্রান্সফরমারের সাথে যুক্ত আছে চারটা ডায়ড বিশিষ্ঠ ব্রিজ রেক্টিফায়ার যা এসি ভোল্টেজ কে ডিসি ভোল্টেজে রুপান্তর করছে এবং 1000uf  ক্যাপাসিটরটি রেক্টিফায়ার থেকে আসা পালসেটিং ডিসি কে ফিল্টার করে পিওর ডিসি করছে। এই পর্যন্ত আমরা হয়ত সকলেই জানি। তার পরে যে আইসি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা  হলো LM317 । এই আইসি হলো  positive adjustable regulator IC । এর আগে হয়ত আমরা অনেকেই 78xx regulator IC ব্যবহার করেছি। এই দুটির মধে মূল পার্থক্য হলো 78xx IC দ্বারা ভোল্টেজ  adjust করা যায় না কিন্তু LM317 IC এর কমন পিন এর সাথে একটি  variable resistor ব্যবহার করে  এর ইনপুট ভোল্টেজ কে আউটপুটে adjust করা যায় । আউটপুটে সর্বচ্চ ভোল্টেজ নির্ভর করে ট্রান্সফরমারের সের্বচ্চ ভোল্টেজের উপর। এই আইসির মাধ্যমে আমরা ইনপুট ভোল্টেজ কে  ১.২ ভোল্ট থেকে সর্বচ্চ ৩৭ ভোল্ট এর মধ্যে adjust করতে পারি।
আর আমাদের আউটপুটে নিগেটিভ ভেল্টেজের প্রয়োজন হলে শুধু মাত্র LM317 এর পরিবর্তে LM337 IC ব্যবহার  করতে হবে। এখানে আইসির পিন চিনাটা খুব গুরত্ব পৃর্ন ব্যপার । তাই নিচে আইসির পিন কনফিগারেশন দিয়ে দিলাম।
LM317 Pinouts and Formula LM337 pinout
সকলের সুবিধার্থে কম্পোনেন্টের লিস্ট দিয়ে দিলাম :
১। ট্রান্সফরমার....................................... ১ টা
২। ডায়ড............................................. ৪টা
৩। ক্যাপাসিটর.......................................৩ টা (1000uf, .1uf, 1uf)
৪। LM317/337................................. ১টা
৫।ভেরিএবল রেজিস্টর ........................................১টা (5k/10K/100k)
[বি:দ্রি : ভেরিএবল রেজিস্টর ১০০কে. ব্যবহার করাই ভালো । তাছারা গরম হয়ে রেজিস্টর পুরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এরং আইসির সাথে একটি হিট সিংক ব্যবহার করা বাধ্যতা মুলক ]

Monday, July 29, 2013

মোবাইলে বাংলা লিখুন পাণিনী কিবোর্ড দিয়ে

মোবাইলে বাংলা লেখা যদিও একটু কষ্টের, তবুও লিখে সবার সাথে শেয়ার করার মজাই আলাদা। যারা এমন লেখে তারাই এটার গুরুত্ব বুঝবে। গত পর্বে আমি দেখিয়েছিলাম কিভাবে অপেরা দিয়ে মোবাইলে বাংলা লিখে সেটা এসএমএস করা যায় অথবা ফেসবুকে শেয়ার করা যায়। আজ আমি দেখাবো কিভাবে পাণিনী কিবোর্ড দিয়ে মোবাইলে বাংলা লিখে সেটা সবার সাথে শেয়ার করা যায় অথবা কাউকে এসএমএস করা যায়। এটা সকল জাভা এবং সিম্বিয়ান এবং এন্ড্রয়েড ফোনে কাজ করবে।

ডাউনলোডঃ

জাভা এবং সিম্বিয়ানঃ কোন কথা নয় প্রথমেই পাণিনী কিবোর্ডটা    এখান থেকে   ডাউনলোড করে নেন।
এন্ড্রয়েড ডাউনলোডঃ চিন্তার কোনো কারন নেই, এটা এন্ড্রয়েড ফোনের জন্যও আছে। আপনি এটা আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য ডাউনলোড করেতে পারেন  এখান থেকে ।

কার্যপ্রণালীঃ

১। এবার অ্যাপ্লিকেশনটা আপনার ফোনে ইন্সটল করে নেন।

২। এটা ওপেন করলেই আপনি এটার সবকিছু বুঝতে পারবেন। যারা না বুঝতে পারবেন তাদের জন্য তো আমি আছি।
৩। লিখুন অপশনটা সিলেক্ট করুন।
৪। এবার আপনি একটা লেখার বক্স দেখতে পাবেন যার নিচে অনেকগুলা অক্ষর কিপ্যাড এর ১,২,৩......... বাটন অনুসারে সাজানো আছে।
৫। আপনি উপর-নিচ করে অথবা মাঝের বাটন চেপে বিভিন্ন অক্ষর আনতে পারবেন।
৬। আপনি যে অক্ষরটা লিখতে চান সেটা যে অক্ষর এর বক্সে থাকবে সেটা প্রেস করুন।
৭। এভাবে একের পর এক উপর-নিচ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত লেখাটা লিখুন।
৮। লেখা শেষ হলে অপশন থেকে রক্ষন করুন।
৯। এবার অপশন থেকে ফেরত এ গিয়ে খসড়া এর ভিতর ঢুকুন ।
১০। এখানে আপনার লেখাটা দেখতে পাবেন এবং সেটা ওপেন করুন ।
১১। এবার সেটা কাউকে এসএমএস হিসেবে পাঠাতে পারবেন।
১২। আর আপনি যদি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে চান অথবা কোথাও পোস্ট করতে চান, তাহলে ওখান থেকে মার্ক করে কপি করুন। আপনার যদি কোয়ার্টি কী-প্যাড ফোন হয়, তাহলে Ctrl+A চেপে সব মার্ক করে Ctrl+C দিয়ে সব কপি করতে পারবেন। কোথাও সেটা পেস্ট করতে চাইলে Ctrl+V চাপুন।
এছাড়া আপনি এটা দিয়ে হিন্দি, তেলেগু, মারাঠি, তামিল, গুজরাঠি, কান্নাডা, মালাইলাম, অরিয়া, পাঞ্জাবী, আসামি, শিভা, ইংলিশ ভাষাতেও লিখতে পারবেন। শুধুমাত্র অপশন থেকে ভাষা নির্বাচন করলেই হবে।
প্রথম প্রথম আপনার লিখতে একটু কষ্ট হতে পারে। দুই-একদিন লেখার পরে দেখবেন খুব সহজে আর দ্রুত লিখতে পারছেন। এটার ওয়ার্ড সাজেশন আপনাকে দ্রুত লিখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। আর প্রবলেম হলে তো আমি আছিই, শুধু কমেন্ট করতে না ভুললে হল

এবার মোবাইল দিয়েই বাংলা লিখুন আরো সহজে

বর্তমান সময়ে মোবাইল জিনিসটা আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মোবাইল বিহীন আমরা একটা মুহূর্তও কল্পনা করতে পারিনা। আর মোবাইল এর এখনকার সর্বোত্তম ব্যাবহার শুধুমাত্র কথা বলা বা টেক্সট আদান-প্রদানের ভিতরই শুধু সীমাবদ্ধ নয়। এখন মোবাইল বেশি ব্যাবহার করা হয় ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে। আর এখন বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ইন্টারনেট বলতে ফেসবুককেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। এই ফেসবুকের মাধ্যমেই মানুষ তার মনের ভাষা খুব সহজেই সবার সাথে শেয়ার করতে পারে। আর বাংলাতে মনের ভাষা শেয়ার করার বিষয় উঠলে তো কোনো কথাই নেই।
আমরা বিভিন্ন স্মার্টফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই বাংলা লিখতে পারি। কিন্তু সব জাভা সেট কিংবা সিম্বিয়ান ফোনে বাংলা লেখাটা এতো বেশি সহজ নয়। এর আগে আমরা বাংলা লিখতে ইন্ডি-এসএমএস, পানিনি-বাংলাসহ বিভিন্ন অনলাইন আপ্লিকেশন ব্যাবহার করতাম।
আজ আমি আপনাদের সাথে একটা অপেরা শেয়ার করবো যেটার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বাংলা লিখতে পারবেন। এখান থেকে বাংলা লিখে সেটা আবার এসএমএস হিসেবেও কাউকে পাঠাতে পারবেন। এটা সকল সিম্বিয়ান এবং জাভা সাপোর্টেড ফোনে কাজ করবে।

বাংলা লেখার ধাপ সমূহঃ

১। আর কথা নয়, এবার অপেরাটা   এখান থেকে   ডাউনলোড করে নেন।
২। এবার অপেরাটা আপনার ফোনে ইন্সটল করুন। তারপর এটা ওপেন করুন।
৩। এবার কোন লেখার বক্সে গিয়ে menu তে গিয়ে ইনপুট ভাষা বাছুন এ যান এবং এখান থেকে বাংলা ভাষা সিলেক্ট করুন। [ফোন দিয়ে স্ক্রীন শর্ট নিতে পারলাম না, তাই দেখাতে পারলাম না]

৪। এবার আপনি বাংলা লেখা শুরু করে দিন।
৫। ফোন এর অক্ষর গুলাতে নিম্নলিখিত সন্নিবেশ রয়েছেঃ
1- . , । ১
2- অ আ ই ঈ া ি ী ২
3- উ ঊ ঋ এ ু ূ ৃ ে ৩
4- ঐ অ ঔ ক ৈ ো ৌ ৪
5- খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ৫
6- ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ৬
7- ত থ দ ধ ন প ফ ব ৭
8- ভ ম য র ল শ ষ ৮
9- স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ৯
10- [নিজে দেখে নিন] ( ) { } []

৬। এরপর বাংলা লিখে কাউকে এসএমএস করতে চাইলে menu তে গিয়ে edit অপশন এ গিয়ে mark সিলেক্ট করুন। এবার মার্ক করা হয়ে গেলে সেটা এবার edit অপশন থেকে সেটা কপি করুন এবং টেক্সট মেসেজ এ গিয়ে সেটা পেস্ট করে যাকে পাঠাবেন তাকে সেন্ড করুন।
৭। আবার ইংলিশ লিখতে গেলে মেনু তে গিয়ে ভাষা নির্বাচন অপশন থেকে English সিলেক্ট করুন।
আমার দেখা মতে ফোনে বাংলা লেখার জন্যে এটাই সর্বোৎকৃষ্ট অ্যাপ্লিকেশন। কয়েকদিন চেষ্টা করুন, তখন দেখবেন খুব সহজে এবং খুব তাড়াতাড়ি লিখতে পারবেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

Password ছাড়াই নোকিয়া Security Code রিসেট করুন

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আমরা বেশির ভাগ মানুষই নোকিয়া ফোন ব্যবহার করি। অনেক সময় আমরা নোকিয়া ফোনে Security Code ব্যবহার করি নিরপত্তার জন্য। কিন্তু কিছুদিন পরেই আমরা সেই Security Code টি ভূলে যাই।

গত পর্বে দেখিয়েছিলাম কিভাবে আপনারা সেই ভূলে যাওয়া Security Code দেখতে পারবেন। এই ট্রিকস্ টি একশত ভাগ কার্যকর ছিল কিন্তু অনেকেই হয়তো অজানা কারণে সেভাবে করতে গিয়ে সফল হননি। যাই হোক, নিরাশ হওয়ার কোন কারন নেই। আমি আজ আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে আপনি আপনার ফোনেকে Security Code না জেনেও পিসির মাধ্যমে Usb cable দিয়ে রিসেট করবেন।
আপনার যা যা প্রয়োজন হবে:
• Nokia PC Suite/Ovi Suite
• NSS pro (নোকিয়া সর্ভিস Software)
• USB data cable
NSS pro সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
ডাউনলোড: NSS pro
নোকিয়া security code রিসেট করার ধাপসমূহ:
1. লেটেস্ট ভার্সন Nokia PC Suite/Ovi Suite আপনার পিসিতে ইনস্টল করে নিন।
2. তারপর, USB data cable দিয়ে কম্পিউটারের সাথে আপনার মোবাইল কানেক্ট করে নিন, এবং কানেক্ট করার সময় আপনার মোবাইল থেকে PC Suite অথবা Ovi mode নির্বাচন করুন।
3. ডাউনলোড করা NSS pro. সফটওয়্যার টি ওপেন করুন।
4. এবার Read Info তে ক্লিক করুন। বামপাশে আপনার ফোনের ডিটাইলস্ দেখতে পাবেন।
5. এখন কাজ হচ্ছে ফোনকে test mode করা, ফোনকে test mode করতে নিচের ডান পাশ থেকে Basic actions এর নিচের বক্স থেকে Test Mode নির্বাচন করুন এবং তার পাশের right arrow বাটনে (>) ক্লিক করুন। আপনার ফোনটি রিস্টাট হয়ে Test Mode এ চলে যাবে।
6. উপরের Factory Settings এর নিচের বক্স থেকে Full Factory নির্বাচন করুন এবং Reset এ ক্লিক করুন।
7. ব্যাস! আপনার কাজ শেষ।

কোন সমস্যা হলে কমেন্টের মাধ্যমেৃ জানাতে ভুলবেন না যেন। কমেন্টে অবশ্যই আপনার সমস্যাটির সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন। বুঝতে পারলে ইন-শা-আল্লাহ্ সমাধান দিব।

Sunday, July 28, 2013

একটি ভাল্ব দুটি স্থান থেকে নিয়ন্ত্রন

সবাই কেমন আছেন? আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি ছোট সার্কিট নিয়ে আলোচনা করব! এর সম্পর্কে বেশি কিছু লেখবো না. কারন আমি বেশি লিখলে আপনাদের নাকি বুঝতে অসুবিধে হয়! আসলে আমি বেশি বুঝানোর জন্য বেশি লিখাছিলাম আমার আগের টিউনগুলোতে. কিন্তু বুঝিনি যে, এতে হিতে বীপরিত হবে, বিষয়টি সহজের বদলে কঠিন হয়ে দারাবে. এই জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন. আর কোন টিউনে বিস্তারিত কিছু লেখবো না.
যাইহোক, এখন যে সার্কিট নিয়ে আলোচনা করব এর নাম স্টেয়ার কেস সার্কিট ডায়াগ্রাম! এই সর্কিটের মাধ্যমে আপনি যেকোন লোড দুটি আলাদা জাইগা থেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন. সাধারন সুইচ দিয়ে এটি করতে পারবেন না! এর জন্য টু-ওয়ে সুইচ দরকার! দুটি টু-ওয়ে সুইচ দিয়ে চিত্রের মতো কানেকশন তৈরি করুন.


এর কানেকশন এভাবেও দিতে পারেন!

ডিসি টু এসি সার্কিট

সবাই ভালো আছেন তো? আজ ও আগামীকাল আমার টিটিসি বন্ধ আছে! এই দুই দিনে আমি আপনের কিছু মজার সার্কিট উপহার দিবো! ছোটবেলা থেকে ভাবতাম ট্রান্সফরমার এ এসি ভোল্টেজ ইন করে যদি ডিসি ভোল্টেজ পাওয়া যায় তাহলে ডিসি ভোল্টেজ ইন করে এসি ভোল্টেজ পাওয়া যাবে না কেন! যেই ভাবা সেই কাজ. একটা ট্রান্সফরমার সংগ্রহ করে ওর সেকেন্ডারী কয়েলে ডিসি ভোল্টেজ ইন করলাম প্রাইমারী কয়েলে এসি ভোল্টেজ পাওয়ার জন্য . কিন্তু ভোল্টেজ কোথায়? তখন বুঝিনি যে, এর জন্য কিছু ফিডব্যাক ভোল্টেজের প্রয়োজন, যা আইসি বা ট্রানজিস্টর থেকে পাওয়া যায়. কিন্তু এখন এটা বুঝতে শিখেছি. এখন আমি আপনাদে যে সার্কিট উপহার দেব এটি খুব ছোট এবং এর তুলনা নেই! এটি দিয়ে আপনার মোবাইলের চার্জার ব্যাবহার করে আপনি ব্যাটারী দিয়ে আপনার মোবাইল চার্জ দিতে পারবেন. শুধু মোবাইল না আপনি আপনার টর্চ লাইটও চার্জ দিতে পারবেন! কারণ, এই সার্কিটের আউটপুট থেকে 220 ভোল্ট থেকে 350 ভোল্ট এসি ভোল্টজ বের হয়!

এর জন্য আপনাকে কয়েকটি কম্পোনেন্ট ব্যাবহার করতে হবে

  • 1. D880 এই মানের ট্রানজিস্টর 2 টি,
  • 2. 470 ওহোম এর রেজিস্টর 2 টি,
  • 3. একটি 9V-0-9V অথবা 12V-0-12V ভোল্টের ট্রান্সফরমার. একটা 2 পিন ছকেট. D880 ট্রানজিস্টেরের 3 টা পিন আছে! 1. বেজ 2. কালেক্টর 3. এমিটর !



প্রথমে আপনাকে ট্রানজিস্টর 2 টিকে পাশাপাশি রাখতে হবে! এর পর 470 ওহোমের রেজিস্টরের 1 প্রান্ত ট্রানজিস্টেরর 1 নং পিনে এবং অপর প্রান্ত আরেক ট্রানজিস্টরের 2 নং পিনে সংযুক্ত করুন! আবার প্রথম ট্রানজিস্টরের 2য় পিনের সাথে আরেকটা রেজিস্টরের যেকোন এক প্রান্ত সংযুক্ত করুন এবং অন্য প্রান্ত অপর ট্রানজিস্টরের 1ম পিনে সংযুক্ত করুন. এখন 1ম ট্রানজিস্টরের 3য় পিনের সাথে অপর ট্রানজিস্টরের 3য় পিন সারাসরি সংযুক্ত করে দিন. এবার ট্রান্সফরমারের দিকে লক্ষ করুন, দেখুন এর এক পাশে 2 টা ও আরেক পাশে 3টা তার আছে! ট্রান্সফরমারের যেই পাশে 3টা তার আছে সেখান থেকে মাঝখানের তারে 8 ভোল্ট থেকে 12 ভোল্টের যেকোন লীড এসিড ব্যাটারীর পজেটিভ ভোল্টেজ প্রবেশ করাতে হবে. আর বাকি 2 পাশের 2টা তার 2 ট্রানজিস্টরের 2 নং পিনে লাগাবেন! এক্ষেত্রে কোন উল্টাপাল্টা নাই! যেকোন ট্রানজিস্টরের 3য় পিনে নেগেটিভ ভোল্টেজ প্রবেশ করান! এখন ট্রান্সফরমারের অপর প্রান্তে যেই 2টা তার আছে ওই 2 তারে 2 পিন সকেট লাগান .

এখন ইনপুটে ভোল্টেজ প্রবেশ করান. কি কিছু শোনা যায় ? ট্রান্সফরমারের ভিতর থেকে একটা শব্দ. এখন 2 পিন সকেটে আপনার চার্জার লাগান. দেখুন আপনার মোবাইল চার্জ হইতেছে.

কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখুন

  • 1. ট্রানজিস্টর 2 টি তে আলাদা আলাদা হিটসিল্ক ব্যাবহার করবেন!
  • 2. সার্কিটের কাজ পুরাপুরি না হলে ভোল্টেজ প্রবেশ করাবেন না .
  • 3. ভোল্টেজ থাকা অবস্থায় আউটপুটের তারে হাত দিবেন না! এতে করে শক খাবেন.
  • 4. 1টা বা 2টার বেশি চার্জার ব্যাবহার করবেন না.
  • 5. কোয়াটার রেজিস্টর ব্যাবহার করবেন না. হাফ অথবা ফুল ওয়াটের রেজিস্টর ব্যাবহার করবেন .