Sunday, December 9, 2012

বানিয়ে নিন নিজের একটি ওয়াইফাই হটস্পট

বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন একটি সফটওয়্যার নিয়ে শেয়ার করতে যাচ্ছি, যা কি খুব সহজেই আপনার ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ কে ওয়াইফাই হট স্পট এ পরিনত করতে পারে। আসুন দেখি কি দরকার আমার ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কে হট স্পট এ পরিনত করার ?
আমি নিজে বাসাতে মোট তিনটি ডিভাইস ব্যবহার করি, একটি ডেস্কটপ, একটি ল্যাপটপ এবং একটি স্মার্ট ফোন। তিনটি তে আলাদা আলাদা ইন্টারনেট লাইন নিতে গেলে আমার পকেট শেষ… অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম কি করা যায়। হ্যা করার অনেক কিছুই আছে, তবে আমি চাচ্ছিলাম সবচাইতে সহজ একটি উপায়। আর এই সহজ উপায়টিই আমাকে দিয়েছে, Connectify.me নামের একটি সফটওয়্যার। দুটি ভার্সন এ এই সফটওয়্যার টি পাওয়া যায়, একটি হচ্ছে লাইট এবং অপরটি হচ্ছে প্রো । তবে আমার মতে, বাসাতে ব্যবহারের জন্য লাইট ভার্সন টি বেস্ট।

http://www.connectify.me/features/?refid= এখান থেকে প্রথমে সফটওয়্যার টিকে ডাউনলোড করে নিন
এবার ইন্সটল করে নিন আপনার ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ এ।
মনে রাখবেন, ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে আপনার নিচের হার্ডওয়্যার গুলো থাকতে হবে;
ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ কম্পিউটার।
ডেস্কটপ হলে, একটি ওয়াইফাই কার্ড (PCI অথবা USB ডংগল), আর ল্যাপটপ হলে ল্যাপটপ এর ওয়াইফাই কার্ড।
ওয়াইফাই কার্ড এর আপডেট ড্রাইভার।
Connectify সফটওয়্যার টি।
একটি ইন্টারনেট কানেকশন।
যদি ডেস্কটপ হয়ঃ
আপনি যদি আপনার ডেস্কটপ দিয়ে ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে চান, তবে, প্রথমেই আপনার ডেস্কটপ এ আপনার ওয়াইফাই কার্ড টিকে ইন্সটল করেনিন (ড্রাইভার সহ)।
যদি ল্যাপটপ এ হয়ঃ
আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ দিয়ে ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে চান, তবে, প্রথমেই আপনার ল্যাপটপ এ আপনার ওয়াইফাই কার্ড টিকে এনাবল করে নিন (প্রয়োজনে আপডেট ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন)।
এবার, Connectify সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন। সফটওয়্যার টি ইন্সটল করা খুবি সোজা, শুধু মাত্র, কয়েকবার নেক্সট নেক্সট করে গেলেই দেখবেন সফটওয়্যার টি ইন্সটল হয়ে গেছে।
সফটওয়্যার টি চালু হবার পরে নিচের ছবির মতন একটি ইউজার ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। আসুন পরিচিত হয়ে নেই এই ইন্টারফেস এর বিভিন্ন অংশের সাথে;

সেটিংস্‌ ট্যাব এ প্রথমেই আছে, Hotspot Name এবং Password যেহেতু আমি লাইট ভার্সন টি ব্যবহার করছি তাই আমি আমার হট স্পট এর নাম যাই দেই না কেন, আগে অবশ্যই Connectify লিখা থাকবে। এখানে আমি নাম দিয়েছি, “Connectify-test”.
আর Password হচ্ছে, আপনি যেই কী টা দিতে চান আপনার নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তা দিয়ে দিন।

এর পরে আসছে; Internet to Share, তার মানে, এখানে আপনি ঠিক যেই ইন্টারনেট কানেকশন টি শেয়ার করতে চাচ্ছেন, তা সিলেক্ট করে দিন। আমার ল্যাপটপ এ Broadcom NetXtreme 57XX নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড এর মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন এসেছে, আর আমি চাচ্ছি যে, এই ইন্টারনেট টিকে আমি আমার হট স্পট এ শেয়ার করব; তাই আমি Internet to Share এ আমার Broadcom NetXtreme 57XX নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড টিকে সিলেক্ট করে দিয়েছি।

এবার আসুন Advanced Settings এ, এখানে দুটি পার্ট আছে; প্রথমটি হচ্ছে; Share Over; এখানে আপনি দেখিয়ে দিবেন (যদি আপনার কম্পিউটার এ একের অধিক ওয়াইফাই ইন্টারফেস থাকে, যেমন আমার ল্যাপটপ এ একটি বিল্ট-ইন ওয়াইফাই আছে এবং একটি ওয়াইফাই ডংগল আছে) কোন ইন্টারফেস টি দিয়ে আপনি আপনার অন্য ডিভাইস গুলো কে কানেক্ট করতে চাচ্ছে;

Connectify মোট তিনটি Sharing Mode সাপোর্ট করে, যেগুলো হচ্ছে;
Wi-Fi Access Point, Encrypted (WEP2)
Wi-Fi Ad- Hoc, Open
Wi-Fi Ad- Hoc, Encrypted
আমার স্মার্ট মোবাইল টি Ad-Hoc সাপোর্ট করে না, সুতরাং আমি সিলেক্ট করেছি; Wi-Fi Access Point, Encrypted (WEP2);
এছাড়াও আরো দুইটি অপশন আছে Firewall সম্পর্কিত যা লাইট ভার্সনে আপনি চাইলেও বন্ধ করতে পারবেন না, তবে আপনার যদি প্রো ভার্সনের সফটওয়্যার টি থেকে তবে, ক্ষেত্র বিশেষে চাইলেই এই অপশন দুটি কে বন্ধ করে রাখতে পারবেন।
এবার সরাসরি “Start Hotspot” বাটন টিতে ক্লিক করে দিন।

এবার দেখুন সফটওয়্যার টির উপর দিকে একটি সবুজ রঙ এর চিহ্ন বোঝাচ্ছে আপনার ওয়াইফাই হট স্পট ঠিক মতন চলছে।

ব্যাস হয়ে গেল আপনার নিজের জন্য একটি ওয়াইফাই হট স্পট।
আর Clients ট্যাব টিতে ক্লিক করে আপনি দেখে নিতে পারবেন, কোন কোন ডিভাইস আপনার হট স্পট এ সংযুক্ত আছে এবং কোন কোন ডিভাইস আপনার হট স্পট এ সংযুক্ত ছিল।

এবার আপনার ক্লাইণ্ট ডিভাইস, মানে যেই ডিভাইস টিতে এই ওয়াইফাই হট স্পট টি ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেতে চাচ্ছেন, তা দিয়ে স্ক্যান করে দেখুন, Connectify-test নামের নেটওয়ার্ক টি পাচ্ছেন কি না, পেলে প্রথম ধাপে ব্যবহার করা password টি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকুন।
পোস্ট আপনাদের কাজে লাগলেই আমি খুশি। ভালো থাকবেন সবাই, আর কেমন হল জানাতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ সবাইকে।

মানুষের শরীরের ১৫টি মজার তথ্য



মানুষের শরীরের ১৫টি মজার তথ্য

 

১. একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ তার মোট ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ ৬৫ কেজি ওজন মানুষের রক্তের       পরিমাণ হল ৫ কেজি।
২. দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে।
৩. রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ কোটি এবং এরা মাত্র ১২ ঘন্টা বাঁচে।
৪. দেহের সব শিরাকে পাশাপাশি সাজালে দেড় একর জমির প্রয়োজন হবে।
৫. একজন মানুষের স্নায়ুতন্ত্র এত লম্বা যে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৭ বার পেঁচানো যাবে।
৬. কোন অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঘন্টায় ২০০ মাইল বেগে প্রবাহিত হয়।
৭. দেহে ও মনে অনুভূতি আসলে তা মস্তিষ্কে পৌঁছতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগে।
৮. একজন শিশুর জন্মের সময় হাড় থাকে ৩৫০ টি।
৯. একজন মানুষ সারা জীবনে ৪০ হাজার লিটার মূত্র ত্যাগ করে।
১০. একজন মানুষের শরীরে চামড়ার পরিমাণ হচ্ছে ২০ বর্গফুট।
১১. একজন মানুষের চামড়ার ওপর রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।
১২. মানুষের শরীরে যে পরিমাণ চর্বি আছে তা দিয়ে ৭ টি বড় জাতের কেক তৈরি সম্ভব।
১৩. মানুষের শরীরে ৬৫০ টি পেশী আছে। কোন কোন কাজে ২০০ টি পেশী সক্রিয় হয়। মুখমন্ডলে ৩০ টির 
      বেশী পেশী আছে। হাসতে গেলে ১৫ টির বেশী পেশী সক্রিয় হয়।
১৪. একস্থান থেকে শুরু করে সমগ্র শরীর ঘুরে ঐ স্থানে ফিরে আসতে একটি রক্ত কণিকা ১,০০,০০০ কিমি পথ
      অতিক্রম করে অর্থাৎ ২.৫ বার পৃথিবী অতিক্রম করতে পারে।
১৫. আমাদের মস্তিষ্ক প্রায় ১০,০০০ টি বিভিন্ন গন্ধ চিনতে ও মনে রাখতে পারে।

বাড়িয়ে নিন আপনার ফেসবুক পেজের লাইক খুব সহজে


আমরা সবাই ফেসবুক এর সাথে পরিচিত। খুব কমই আছেন যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন না। অনেকের আবার এক বা একাধিক ফেসবুক ফ্যান পেজ আছে। 
কিন্তু পেজে লাইক পাওয়া দুরুহ ব্যাপার। আবার আমরা অনেকেই বিভিন্ন আউটসোর্সিং সাইটে কাজ করি সেখানে হারহামেশাই লাইক এর কাজ পাওয়া যায়। 
কিন্তু লাইক পাওয়া মোটেও সহজ নয়।

আজ আপনাদের আমি এমন একটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব, যেটার মাধ্যমে আপনি ফেসবুকের পেজের লাইক পাবেন সহজেই। এটা অনেকটা বিনিময়ের মত। মানে আপনি যতগুলো লাইক করবেন ততগুলো লাইক পাবেন। আপনি লাইক এর মাধ্যমে কয়েন অর্জন করবেন আবার সেই কয়েন এর বিনিময়ে আপনার পেজের লাইক পাবেন। সহজ হিসাব।

তো চলুন শুরু করা যাক ধাপে ধাপে......

ধাপ ::
      প্রথমেই আপনাকে সাইটে সদস্য হতে হবে, এই জন্য এইখানে GetYourLikes এখানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন্ নতুন একটা অফার চলছে সেটা হল রেজিস্ট্রেশন করলেই ২০০ কয়েন, দেরী না করে লুফে নিন।

রেজিস্ট্রশন
সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে আপনার ইমেইল একটিভ লিংক যাবে সেটাতে ক্লিক করে আপনার একাউন্ট একটিভ করে নিন।

ধাপ
      এবার আপনার কয়েন অর্জনের পালা এজন্য মেনুতে Earn coin --> Facebook ক্লিক করুন তাহলেই পেজের তালিকা চলে আসবে..  
শুধু লাইক বাটনে চাপতে থাকুন আর পয়েন্ট অর্জন করতে থাকুন। কোন পেজর জন্য কত পয়েন্ট/কয়েন পাবেন সেটা পেজের নীচেই লেখা আছে।

ধাপ :
        পয়েন্ট তো অর্জন হল এবার চলুন সেই পয়েন্ট খরচ করে নিজের ফ্যানপেজ এর লাইক বাড়িয়ে নেই। জন্য প্রথমেই আপনাকে আপনার 
ফ্যানপেজেটি এড করতে হবে। বামের মেনু থেকে Add Site ক্লিক করুন। এবার যে পেজ টি আসবে সেখানে উপর থেকে Facebook সিলেক্ট করুন।
. এখানে আপনার ফ্যানপেজের ইউআরএলটি লিখুন
. এখানে পেজের টাইটেল লিখুন
. আর প্রতি লাইকের জন্য কত পয়েন্ট দিবেন সেটা দিন। (১০-১২ দেয়াটাই মনে হয় উত্তম)
এবার Add Site ক্লিক করে সেভ করুন।
        এবার আপনার কাজ হল আপনার এড করা পেজে আপনার অর্জিত কয়েন সেট করা। এই জন্য My Site ক্লিক করে উপর থেকে Facebook ক্লিক করলেই আপনার এড করা পেজের নাম দেখতে পারবেন।
     এবার Add Coin ক্লিক করুন এবার কত পয়ন্টে সেট করবেন সেই সংখ্যাটি লিখুন। তারপর সেভ করুন। আপনার কাজ শেষ এবার অন্যরা আপনার পেজ লাইক করবে আর কয়েন অর্জ করবে তার বিনিময়ে আপনি পাবেন আপনার কাঙ্খিত লাইক। আর আপনিও লাইক করে কয়েন অর্জন করতে থাকুন।

বিঃদ্রঃ কয়েন অর্জনের আরেকটি সহজ উপায় হল রেফারেল সাইন আপ। আপনার রেফারে একজন সদস্য হলেই আপনি পাবেন ৫০ কয়েন।
এভাবে পয়েন্ট অর্জন করা বেশি সহজ।


আপনার রেফার লিংক পাওয়ার জন্য Promote Site ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন

সহজেই পরিবর্তন করুন এক্সপির ডিফল্ট সাউন্ড

সবাই চায় তার নিজের কম্পিউটারটাকে আরো সুন্দর করে সাজাতে এবং দেখতে। আমরা জানি বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম চালু থাকলেও, উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীর সংখ্যাই তুলনা মূলকভাবে অনেক বেশী। যদিও উইন্ডোজ এক্সপির ব্যবহার এখনও বেশি, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যবহারকারীগন এর উপর পরিপূর্ণ সন্তষ্ট্য নন। কারন যেখানে উইন্ডোজ ভিসতা কিংবা সেভেন, ব্যবহারকারীদেরকে দিচ্ছে নতুন নতুন অনেক সুযোগ সুবিধা যেমন সুন্দর থিম, সুন্দর সাউন্ড কোয়ালিটি ইত্যাদি সেখানে উইন্ডোজ এক্সপির এই সব পুরাতন সিস্টেম অনেকেরই অপচন্দ। তাই আমরা ইচ্ছে করলে আমাদের কম্পিউটারের ডিফল্ট যেই সাউন্ডগুলো রয়েছে সেই সাউন্ডগুলো পরিবর্তন করে তার স্থলে ইচ্ছে মত যে কোন সাউন্ড সেট করতে পারি। যেমন সাট-ডাউন, স্টার্ট-আপ সাইন্ড। এছাড়াও আমরা অন্য সাউন্ডগুলোকেও পরিবর্তন করে নিতে পারি। তো আসুন সময় আর দির্ঘায়ু না করে সেটিংসটি করে নি।
সেটিংসটি করার পূর্বে একটি বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন তা হল, যেই সাউন্ডটি কম্পিউটারে সেট করতে চান সেই সাইন্ডটি হতে হবে অবশ্যই wav ফরম্যাটের। Mp3 কিংবা অন্য কোন ফরম্যাটের সাউন্ড গ্রহনযোগ্য হবে না। তবে যাদের কাছে কোন wav ফরম্যাটের সাউন্ড নেই তারা একটি সাউন্ড Converter সফটওয়্যার ব্যবহার করে MP3 থেকে wav ফরম্যাট এ রুপান্তর করে নিতে পারেন।

আসুন প্রথমেই সাউন্ড কনভার্ট করার প্রক্রিয়া জেনে নি
১। প্রথমে এই-লিংক অথবা এই-লিংক থেকে সাউন্ড কনভার্টার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিন। ইন্সটল করার নিয়ম অন্য সব এপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মতই।
২। সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে চালু করে Register করে নিন।
Serial no: 306424-a3b3
৩। Open ফোল্ডারে ক্লিক করে MP3 ফরম্যাটের যে কোন একটি সাউন্ড নির্বাচন করে Open বাটনে ক্লিক করুন।
এই সফটওয়্যারটির অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল এর দ্বারা পুরো সাউন্ডের অনাকাঙ্খিত অংশ বাদ দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী যেই কোন স্থান থেকে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু সাউন্ড তৈরী করা যায়। যেমন ধরুন আপনার কম্পিউটারে ৫ মিনিটের একটি অডিও সাউন্ড রয়েছে যার অল্প একটু সাউন্ড আপনার প্রয়োজন। আর সেই প্রয়োজন মেঠাতে আপনি MP3 To Ring Tone Gold সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষ করে এই সফটওয়্যারটি রিংটোন তৈরী করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪। প্রয়োজন অনুযায়ী সাউন্ড সিলেক্ট করে নিন। অর্থাৎ  যতটুকু সাউন্ড আপনার প্রয়োজন ঠিক ততটুকু সাউন্ড নির্বাচন করুন। ইচ্ছে করলে Play করে সাউন্ডটি শুনতে পারেন।
৫। প্রয়োজন অনুযায়ী সিলেক্ট করার পর wav ফরম্যাট এ সেভ করুন।
৬। সেভ করার জন্য wav এ ক্লিক করুন নতুন একটি Save as window আসবে। সাউন্ডের নাম এবং Location দিয়ে Save বাটনে ক্লিক করুন। ফলে সাউন্ডটি নির্দিষ্ট নাম এবং Location এ সেভ হবে।













সাউন্ড Convert করার কাজ শেষ। এখন আমরা সাউন্ডটি কম্পিউটারে সেট করবো।
৭। প্রথমে Control panel open করে “Sounds and audio devices” এ ডাবল ক্লিক করুন।
৮। Sounds Tab এ ক্লিক করে Sounds Tab টি Active করে নিন।
৯। Program events: Box এ “Start windows” খুজে বের করুন।





























১০। Browse ক্লিক করুন এবং নির্দিষ্ট Location থেকে আপনার কাঙ্খিত সাউন্ড ফাইলটি নির্বাচন করে ok করুন। পুনরায় Apply>ok করুন।

১১। কম্পিউটার Restart করুন। লক্ষ করুন Start up sound হিসেবে আপনার কাঙ্খিত সাউন্ডটি সেট হয়েছে।
১২। একই নিয়মে Shutdown এবং অন্য সাউন্ডগুলোকেও পরিবর্তন করে নিতে পারেন।
১৩। Shutdown সাউন্ড পরিবর্তন করার জন্য Program events: Box থেকে Exit windows নির্বাচন করে বাকি কাজগুলো পূর্বের নিয়মানুযায়ী করতে হবে।

সব সময়ই চেষ্টা করি সহজ সরল এবং সুন্দরভাবে পোষ্টের বিষয়গুলো ব্যাখা করার জন্য। কিন্ত সময়ের অভাবে অনেক সময় তা হয়ে উঠে না। কারন আমি একজন পেশাজিবি। তাই আমাকে প্রতিটি পোষ্ট লিখতে হয় অতি দ্রুত। আর দ্রুত কাজ করতে গেলে একটু ভূল ভ্রান্তি হতেই পারে। তাই পোষ্টে কোন ভূল থাকলে আশা করি সকলেই সেটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সকলের জন্য রইলো আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছো।


আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন।


আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন

বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকেরই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পূর্ন ভূল। এটার ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।

আপনারা দেখলেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি। কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?









. প্রথম সংখ্যাজেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
. পরবর্তী সংখ্যাএটা আর এম (RMO) কোড।
* সিটি কর্পোরেশনের জন্য -
* ক্যান্টমমেন্ট -
* পৌরসভা -
* পল্লী এলাকা -
* পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা -
* অন্যান্য -

. পরবর্তী সংখ্যা -এটা উপজেলা বা থানা কোড
. পরবর্তী সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
. শেষ সংখ্যা - আইডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।

ছবিসহ ভোটার তালিকা জাতীয় পরিচয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে এখানে ক্লিককরুন