Tuesday, December 11, 2012

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৮


[Drupal ]ড্রুপাল:

ড্রুপাল ইনস্টলের জন্য:

১. ইন্টারনেট থেকে লেটেস্ট ভার্শন ডাউনলোড করে, Extract করে সেটা Xampp এর htdocs ফোল্ডারে পেস্ট করুন।
২. নিজের সুবিধামত নাম পরিবর্তন করুন।
[ধরুন, নাম দিলেন hapus]

৩. hapus এ গেলে sites নামে একটা ফোল্ডার পাবেন। সেখানে থাকবে default নামের ফোল্ডার।


৪. এই default নামের ফোল্ডারে আছে default.settings.php নামের এটা ফাইল।

৫. এই ফাইলটি এই ফোল্ডারের ভেতরেই কপি-পেস্ট করুন।
৬. নতুন ফাইলের নাম পরিবর্তন করে রাখুন settings.php।
৭. ফলে একই ফাইল কিন্তু ভিন্ন দুটি নামে একই সাথে আছে।
৮. এবার ব্রাউজারে গিয়ে লিখুন /localhost/hapus

ইনস্টলেশন শুরু হবে। এখানে আর নতুন কিছু বলার নেই।


তবে, আপনি যদি নতুন একজন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে Drupal এ অভ্যস্থ হতে বেশ সময় লাগবে।


আর যদি আমার এ টিউটোরিয়াল পড়ে ওয়েবসাইট বানানো শুরু করে থাকেন, তাহলে বলবো, Drupal এর নাম এখন আপাতত মুখেও আনবেন না!

কেন?
মাত্র হামাগুড়ি দেয়া শিখেছেন, এখনই দৌড়ানো শুরু করা ভালো হবে না।

Wordpress:


এই টিউটোরিয়ালের একদম প্রথম থেকে যদি আপনি পড়ে থাকেন, তাহলে Wordpress ইনস্টল করা আপনার জন্য কোন ব্যাপারই না!


তারপরেও সামান্য একটু সমস্যা আছে।

কিভাবে ইনস্টল করবেন:
১. ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে Extract করে সেটা Xampp এর htdocs ফোল্ডারে পেস্ট করুন। নাম পরিবর্তন করুন।
[ধরুন, নাম দিলেন halum ]

২. /localhost এ গিয়ে ডাটাবেজ বানিয়ে ফেলুন একটা।


৩. htdocs এ পেস্ট করা halum এর ভেতর একটা ফাইল থাকবে wp-config-sample.php নামে


৪. এটা কপি-পেস্ট করুন এখানে। নতুনটার নামে পরিবর্তন করে দিবেন, wp-config.php


৫. wp-config.php ফাইলটি নোটপ্যাড দিয়ে ওপেন করুন।

ছবি দেখুন, কিভাবে কি পরিবর্তন করবেন।


৬. এরপর save করুন।


৭. ব্রাউজারে গিয়ে /localhost/halum লিখে ইনস্টল করা শুরু করুন।


Wordpress ব্যবহার করা অনেক সহজ। ব্লগ নিয়ে ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে Wordpress সেরা।

.....................

এই টিউটোরিয়াল এখানেই শেষ।

তবে এই সিরিজের আরেকটা পোস্ট বাকি আছে।

..........


অন্য পর্ব গুলো পড়ার জন্য সূচীপত্র ব্যবহার করুন:

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৭




মনে করুন, আপনি এতোদিন জঙ্গলে ছিলেন। মানুষের বাসা-বাড়ি কোন দিন দেখেন নি।
আপনাকে সেখান থেকে তুলে এনে এমন একটা বাসায় থাকতে দেয়া হলো, যেখানে ফার্নিচার-প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র-লাইট-ফ্যান সবই দেয়া আছে।একেবারে পরিপূর্ণ।
আপনি আগে জানতেন না, কোন রুমে কি কি রাখতে হয়। কিন্তু এখন যে স্টাইলে জিনিসপত্র গুলো রাখা আছে সেটা দেখে একটা ধারণা পাবেন।
[এই ধারণা না পেলে দেখা যেতো আপনি রান্নঘরে বুক শেলফ রেখে দিয়েছেন!]
আপনি এখন নিজের মত করে সাজাতে পারবেন। যদি মনে হয়, কোন রুমে জিনিস কম আছে, তাহলে নিজেই সেটা যোগ করতে পারবেন। কোন রুমে অতিরিক্ত কিছু থাকলে, সে গুলো ফেলেও দেয়া যাবে।

আপনাকে একজন ম্যানেজার দেওয়া হলো, যার নাম চেঙ্গিস খান। তার কাজ হলো আপনার আদেশ মেনে সব ঠিকঠাক করা।
আর পুরো বাসার একটা ম্যাপ আপনার হাতে আছে, যেটা দিয়ে সহজেই আপনি পরিবর্তন গুলো বুঝতে পারবেন।

১০-১২ জন ডিজাইনার আছে, যারা আপনার চাহিদা অনুসারে চাইলে সব সাজিয়ে দিতে পারে।
সহজ ব্যাপার!
....................................
এইবার একটু মিলিয়ে দেখুন:

চেঙ্গিস খান= আপনার কন্টেন্ট ম্যানেজার -জুমলা
বাসার ম্যাপ = আপনার হাতে থাকা প্রিন্ট করা ওয়েবপেজটি
ঐ বাসার ফার্নিচার = আপনার ওয়েবসাইটের নানা-রকম আর্টিকেল/ লেখা।
ঐ ডিজাইনার গুলো = জুমলার নানা রকম template
..................................

চলুন এখন বাসার ম্যাপ নিয়ে চেঙ্গিস খানের কাছে যাই! :P
...............
(আমরা এখন লোকালসার্ভারে সব কাজ করবো)
ব্রাউজারে /localhost/জুমলা ফোল্ডারের নাম/administrator দিয়ে অ্যাডমিন প্যানেলে লগইন করুন।

[ এখন আপনি যা যা দেখতে পাচ্ছেন, সেগুলো প্রতিটির আলাদা করে বর্ণনা দিতে গেলে অনেক গুলো পোস্ট দেয়া লাগবে। তাই আমি চেষ্টা করবো, সংক্ষেপে কিভাবে সব কিছু বুঝানো যায়। ]


বড় করে দেখুন


বড় করে দেখুন


আপাতত আপনারা এই ছবিটি দেখে ওয়েবসাইট সাজানোর কাজ চালিয়ে নেন।

এগুলো নিয়ে কাজ করতে থাকুন, আইডিয়া বের করুন কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট আরো সুন্দর করা যায়।
তারপর সেটা সমৃদ্ধ করার প্ল্যান করা যাবে।

কিভাবে টেমপ্লেট পাল্টাবেন, কাস্টোমাইজ করবেন, কোন গান, ছবি, আপলোড করবেন, এ ব্যাপার গুলো পোস্টে দিলাম না। এত কিছু দেখে তালগোল পাকিয়ে ফেলবেন। এ ব্যাপারগুলো এ পোস্টেই আলোচনা করবো, তবে সেট মন্তব্যের আকারে।
যার ফলে, মূল পোস্ট থাকবে হালকা-পাতলা, দেখে ভালো লাগবে।
..........................
আপনারা এর মধ্যে একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন, হোস্টিং, ডাটাবেজ তৈরী , ডিজাইন শিখে ফেলেছেন, তবে সংক্ষিপ্ত পরিসরে।
আরো অনেক কিছু বাকী। সব কিছু তো আর একেবারে শেখা যাবে না। তাই এখন যা যা শিখেছেন সে গুলো চর্চা করুন।
...........................

আগামী পর্বে ওয়ার্ডপ্রেস, আর ড্রুপাল দেখাবো।


অন্য পর্বগুলো দেখতে সূচীপত্রের সাহায্য নিন:

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৬


আপনারা ইতিমধ্যে লোকাল সার্ভারে জুমলা ইনস্টল করা শিখে ফেলেছেন। আর সার্ভারে আগেই আমরা শর্টকাটে জুমলা ইনস্টল করে ফেলেছি।

সার্ভারে কীভাবে জুমলা ইনস্টল করতে হবে সেটা আপনারা যেন সহজেই বুঝতে পারেন এজন্য একটা তুলনা মূলক পার্থক্য করেছি।
লোকাল ও ওয়েব সার্ভারের মধ্যে। ছবি দিয়ে দিলাম।


সেটা দেখে যদি আপনাদের বুঝতে কষ্ট হয়, তাহলে বলবেন। কমেন্টে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

.....................
আপনাদের মনে কি প্রশ্ন জেগেছে কেন আমরা দুই জায়গায় সেটআপ দিচ্ছি?

কারণ গুলো হলো:
১. লোকাল সার্ভারে আপনি অনেক সহজে সব কিছু মেইনটেইন করতে পারবেন। এক্সপেরিমেন্ট করা অনেক সহজ।
২. লোকাল সার্ভারে ইন্টারনেট লাগে না, যার কারণে ইন্টারনেটের স্পিড নিয়ে কোন চিন্তা নেই। যার কারণে আপনি খুব দ্রুত আপনার কাস্টোমাইজেশনের কারনে ঘটে যাওয়া পরিবর্তন গুলো দেখতে পারবেন .
এছাড়া আরো অনেক কারণ আছে, এক সময় নিজেই বুঝতে পারবেন।
তারপরেও একটা উদাহরণ দেই।

আপনি যখন কারো বাসায় বেড়াতে যান, তখন কতো সাজুগুজু করে যান। B-) বেড়াতে যাওয়া বলে কথা!
কিন্তু নিজের বাসায় কি সারাদিন এরকম সাজুগুজু করে বসে থাকেন নাকি?? :-*
না! তখন খালি গায়ে লুংগী পড়ে সারাক্ষন তা-তা-ধিন-তা করলেও আপনাকে কেউ কিছু বলবেনা। :P

একই ভাবে, নিজের পিসিতে( লোকাল সার্ভারে ) যা ইচ্ছা করেন সমস্যা নেই, কিন্তু সার্ভারে গিয়ে যেন দাপাদাপি না করেন! বলে দিলাম! X(

সুন্দর, পরিপাটি করে, তারপর আপলোড করবেন FTP client বা FTP সফটওয়্যার দিয়ে। তেমন একটি সফটওয়্যার হলো, FileZilla client.

ডাউনলোড করে সেটআপ দিন।
কিভাবে আপলোড করতে হয় সেটা একটা ছবিতে বলে দিয়েছি।



জুমলা কাস্টোমাইজেশনের মাধ্যমে আমরা একটি ওয়েবসাইট তৈরীর সব গুলো ধাপ শেষ করবো।

এ পর্বে সেটা দেখাতে পারলাম না বলে দু:খিত। আগামী পর্বে সেটা দেখাবো।
এরপরেও আরেকটা পর্ব থাকবে। ওয়ার্ডপ্রেস আর ড্রুপাল নিয়ে যেখানে টুকটাক কথাবার্তা থাকবে।
তারপর এ টিউটোরিয়াল শেষ!
...........................

টেম্পলেট ডিজাইন, কাস্টোমাইজ করা- এ টপিক নিয়ে পোস্ট দিবো তবে সেটা এই টিউটোরিয়ালের অংশ না।
সেটা আরো পরে।
.........................



অন্য পর্বগুলো পড়ার জন্য সূচীপত্রের সাহায্য নিন:

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৫






আগের পোস্টের কাজ গুলো যদি ঠিকঠাক মত করেন, joomla ইনস্টল করার পর সেটা কেমন দেখাবে, আপনি এর মধ্যে তা দেখে ফেলেছেন।

আপনাকে কিছু না শিখিয়ে কেন এমন করলাম?

ধরুন, আপনি ময়দার রুটি বানাতে জানেন না। আপনাকে শেখাতে গিয়ে প্রথমেই আপনার হাতে একটা পরিপূর্ণ রুটি ধরিয়ে দিলাম। এতে করে কি হবে? আপনি বুঝতে পারবেন, রুটির সর্বশেষ আকার, আকৃতি কেমন হবে, খেতে কেমন হবে।আপনি কিন্তু তখনও জানেন না, এটা কিভাবে বানাতে হয়!

ওয়েবসাইট বানানো শেখানোর আগেই আপনাকে দেখানো হলো ঠিকঠাক বানালে তার আউটলুক কেমন হবে। কিন্তু আমদের কিন্তু এখনও শেখা বাকি!
.................

আমরা এখন জুমলা ইনস্টল করা শিখবো।
যদিও আমাদের একটা ওয়েবসার্ভারে জায়গা পাওয়া গেছে, তার পরেও আমরা নিজের পিসিকে সার্ভার বানিয়ে কাজ করবো।

XAMPP এর কথা মনে আছে? সেটা এখন আপনার পিসিতে ইনস্টল করুন। [ইনস্টল করা অনেক সহজ, কোন সমস্যা হলে কমেন্টে জানিয়ে দিবো।]

ইনস্টল করার পর, XAMPP control panel এ যাবেন।Apache, MySQL সিলেক্ট করে start সিলেক্ট করবেন।

এখন আপনার কম্পিউটার একটা সার্ভার হিসেবে কাজ করতে পারবে।
(সেটা হলো লোকাল সার্ভার, আপনি নিজেই হোস্ট, সুতরাং এটার হোস্ট লোকাল হোস্ট)
...........

পরের কাজ ডাটাবেজ বানানো।

আপনার ব্রাউজারের address bar এ লিখুন, \localhost
এর পর?

এর পরের কাজ গুলো আমি ছবি আকারে দিয়ে দিয়েছি। যেন ছবির বর্ণনা পড়ার জন্য বারবার ব্লগ দেখা না লাগে।


এই ছবি গুলো আশা করি আপনাদের ভালো মত নির্দেশনা দিতে পারবে। ছবি গুলো সব জীবন্ত :)
♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠

ছবির নিচে বড় করে দেখার জন্য লিংক আছে। ক্লিক করতে ভুলবেন না :P


████████████████████████████
ডাটাবেজ সেটআপ:

Click This Link


Click This Link


Click This Link
████████████████████████████
জুমলা সেটআপ:



Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link


Click This Link

████████████████████████████

এখন আপনার ব্রাউজারে গিয়ে লিখুন localhost/test

(আপনার জন্য test এর জায়গায় আপনি যে ফোল্ডারের নাম দিয়ে জুমলা ইনস্টল করেছেন সেটা হবে)

একটা পেজ আসবে, একই রকম পেজ এসেছিলো, freehostia -তে অ্যাকাউন্ট খুলে সব কাজ করার পর!

তার মানে আপনার পিসি এবং সার্ভারের পিসিতে এখন জুমলা ইনস্টল করা আছে।
সার্ভারের পিসিতে আপনি শর্টকাটে জুমলা ইনস্টল করে ফেলেছেন।
কিন্তু আমরা সঠিক উপায়ে ইনস্টল করা শিখবো।
..............

এই পর্ব এখানেই শেষ।

এর পরের পর্বে আমরা শিখবো, জুমলা কিভাবে কাস্টমাইজ করতে হয়।
............

আমাদের অগ্রগতি কতটুকু?
মনে করুন,
পানি,কারেন্ট,গ্যাসের সংযোগ আছে এমন একটি খালি ফ্ল্যাটে থাকার সুযোগ পেয়েছি আমরা।
এখন আমাদের রুচি অনুযায়ী রং করবো, আসবাব-পত্র সাজাবো।
তারপর সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়াবো :) :)

আপনারাও আপনাদের কাছের মানুষদের নিজের ওয়েবসাইটে দাওয়াত দেয়ার একদম কাছাকাছি চলে এসেছেন!!
..........

পরের পর্ব শুরু করার আগে একটা অনুরোধ করে যাবো। আপনি যে ওয়েবসাইটটি এখন তৈরী অবস্থায় পেয়েছেন , সেটির ফ্রন্ট পেজটি প্রিন্ট করে নিজের কাছে রাখুন।

শুনতে অবাক লাগলেও আমি বলবো, এই পুরো টিউটোরিয়ালটি আপনি মনে রাখতে বাধ্য হবেন যদি ফ্রন্ট পেজটি প্রিন্ট করে নিজের কাছে রেখে পরের পর্বগুলো পড়তে বসেন! কেন?? সেটার সামনেই বুঝতে পারবেন!

অন্যান্য পর্বগুলোর জন্য সূচীপত্রের সাহায্য নিন:

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৪

আগের পোস্টগুলোতে আমরা একটা ওয়েবসাইটের নেপথ্যের ঘটনাগুলো দেখলাম। কে কিভাবে কাজ করে, কার কি কাজ এ গুলো।

ওয়েবসার্ভারে আপনার কন্টেট/উপাদান গুলো কি অবস্থায় আছে সেটা নিয়ে আপনার না ভাবলেও চলবে।
কিন্তু ওয়েবপেজে সেগুলো কিভাবে আছে সেটা কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর এ কাজটা আপনারই করা লাগবে।
অর্থ্যাৎ, আপনার ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে, কি কি থাকবে, ভিজিটরদের সাথে আপনার ওয়েবসাইট কেমন আচরণ করবে সেগুলো সব কিছু আপনাকে ঠিক করে দিতে হবে।

আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই, আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেক সফটওয়্যার আছে।

এগুলো হলো, কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (সি এম এস) এর সফটওয়্যার।

আগের পোস্টে আমরা PHP'র কথা জেনেছি। এই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে তৈরী করা সিএমএস সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।

PHP দিয়ে তৈরী করা জনপ্রিয় সিএমএস সফটওয়্যার হলো, Joomla, Drupal, WordPress ইত্যাদি। আরো অনেকগুলো আছে সেগুলো এখন না জানলেও চলবে।

কোনটা ব্যবহার করা ভালো?

সেটা নির্ভর করবে আপনার চাহিদার ধরনের উপর।

আপনাদের মধ্যে কেউ গ্রামীন, কেউ বাংলালিংক, কেউ ওয়ারিদ ব্যবহার করেন। কারণ, কেউ সাশ্রয়, কেউ নেটওয়ার্ক, কেউ নানা রকম অফারের কথা মাথায় রেখে সেগুলো ব্যবহার করেন।

এখন আপনার যদি নিজের ব্লগ নিয়ে ওয়েবসাইট বানাতে চান তাহলে WordPress ব্যবহার করতে পারেন।
সাধারণ ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে Joomla, Drupal ব্যবহার করতে পারেন।
আমরা Joomla ব্যবহার করে বানানো শিখবো।

এটা শেখা তুলনামূলক সহজ। তবে আপনাদের অন্যদুটিও দেখানোর চেষ্টা করবো।

............................
ওয়েবসাইট বানানোর জন্য প্রথমেই দরকার একটা ডোমেইন। তাও আবার ফ্রি।
আমরা http://www.co.cc কে বলবো আমাদের একটা ফ্রি ডোমেইন দিতে।
আপনি যে ডোমেইন চান সেটি যদি খালি থাকে তাহলে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সামনে এগোতে পারবেন। আপনি যেহেতু নতুন ইউজার তাই http://www.co.cc তে আপনাকে সাইন আপ করতে হবে।
(আমি ডোমেইন নিলাম http://www.uliaulia.co.cc )


সাইন-আপ করার পর আপনাকে বলবে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেটআপ করতে, না হলে তারা আপনার ডোমেইন বাতিল করবে।
আপনি এসব কথায় কোন না দিয়ে ফ্রি হোস্টিং খুঁজতে বের হোন।

আমরা http://www.freehostia.com থেকে ফ্রি হোস্টিং এর সুবিধা নিবো।
ওরা ফ্রি অ্যাকাউন্ট প্যাকেজের নাম দিয়েছে চকলেটে। আমরা এই চকলেট অ্যাকাউন্টে সাইন আপ করবো।

সাইনআপ ফরমের একটা ছবি দিলাম, এই ভাবে আপনারাও করবেন।

সব কিছু ঠিকঠাক পূরন করার পর তারা আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস এ একটি গুরুত্বপূর্ণ মেইল দিবে।
ঐ মেইলে আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড থাকবে যা দিয়ে আপনার হোস্টের কন্ট্রোল প্যানেল এ আপনি ঢুকবেন।

প্রথম পর্বে কমিউনিটি সেন্টারের কথা বলেছিলাম মনে আছে?
মনে করুন আপনি সে রকমই একটা কিছু পেয়ে গেছেন।

আহা! ঐদিকে ডোমেইন বেচারা একা একা বসে আছে। আমরা সেদিকেই যাচ্ছি এখন।
একটু আগে গুরুত্বপূর্ণ মেইলের কথা বলছিলাম। সেই মেইলে
দেখবেন
dns1.freehostia.com
dns2.freehostia.com
এ রকম দুটি লাইন আছে। এগুলো সার্ভারের ঠিকানা।


http://www.co.cc তে গিয়ে আপনার এ্যাকাউন্টে লগইন করে 'সেটআপ' এ যান। Name Server 1 ও Name Server 2 তে পর্যায়ক্রমে
dns1.freehostia.com এবং dns2.freehostia.com দিয়ে পূরণ করুন।
(ছবি দিলাম)।


আপনার মোটামুটি অনেক কাজ শেষ।
মনে করুন, আপনি একটা প্লট কিনে সেখানে একটা বাড়ি তৈরী করে ফেলেছেন। এখন বিছানা-আসবাব-পত্র নিয়ে উঠে পড়া বাকি।

আপনার ওয়েবসাইটেরও এখন এ অবস্থা।

..............................

অনেক কিছু বিস্তারিত বলতে গিয়ে পোস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে। আশা করি কেউ কিছু মনে করবেনা।

এ পর্ব এখানেই শেষ।
.......

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ৩

আগে পর্বের মত এখানেও আমরা এমন কিছু শিখবো, যে গুলো জানা থাকলে আপনি বুঝে শুনে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন।
................
গত পর্বে অ্যাপাচি, MySQL এর কথা জেনেছি।
এগুলো নিয়ে কাজ করার সময় আপনার পিসিতে সফটওয়্যার গুলো ইনস্টল করা থাকতে হবে। খুশির কথা হলো, আপনাকে আলাদা আলাদা ভাবে সেগুলো ডাউনলোড করতে হবে না।

তার বদলে এমন একটি সফটওয়্যার প্যাকেজ ইনস্টল করতে হবে, যেখানে উপরের জিনিসগুলো সব একসাথে দেয়া থাকে।


ব্যাপারটা এরকম, আমরা লাঞ্চ বা ইফতারির জন্য প্রতিটি আইটেম আলাদা আলাদা কিনে খেতে পারি, আবার এ সব কিছু দেয়া থাকে তেমন প্যাকেট কিনেও খেতে পারি।


এরকম একটি সফটওয়্যার প্যাকেজ হলো XAMPP. আরো আছে, Wamp, JAMP, UwAmp ইত্যাদি।


নাম গুলো একইরকম লাগছে কেন?

এই প্যাকেজে কি কি আছে তার অদ্যাক্ষর নিয়ে সফটওয়্যার প্যাকেজের নাম দেয়া হয়েছে। তাই এরকম।

{ যেমন, XAMPP এ আছে, Apache, MySQL, PHP, Perl. }


আমরা XAMPP ব্যবহার করবো। আপনি এখনই টুক করে সেটা ডাউনলোড করে পিসিতে রেখে দিন।


এখান থেকে ডাউনলোড করুন:

Click This Link

..................

এবার আরো কিছু নতুন শব্দের অর্থ জানা যাক, যে গুলো সামনে দরকার হতে পারে।


HTML:


নাম শুনে ভয় পাবেন না। সহজ ভাবেই বলছি এটা কি।

এটার পুরো নাম হলো, HyperText Markup Language।
বেশি কিছু জেনে মাথা খারাপ করার দরকার নেই, শুধু জেনে রাখুন HTML একটা ভাষা, যে ভাষায় একটা ওয়েবপেজ লেখা থাকে।

PHP:


এটা একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। যার সম্পর্ক সার্ভারের সাথে।

কেমন ধরনের কাজ করে সেটা একটু পরেই বলছি।
.............

JavaScript:


এটা একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। যার সম্পর্ক ক্লায়েন্টের সাথে।

.........
CSS: Cascading Style Sheets.

HTML কোড গুলো ওয়েবপেজে কিভাবে থাকবে সেটা ঠিক করে দেয়।

..............
অনেক নতুন কিছু এক সাথে বলা হয়ে গিয়েছে। এবার এমন কিছু উদাহরণ দরকার যেন আপনারা সব বুঝতে পারেন।

চলে আসুন বাস্তব জীবনে।

একটা রেস্টুরেন্টে গেলেন খাওয়া-দাওয়ার জন্য।

HTML হলো একটা খাবারের প্লেট। যেখানে খাবার গুলোকে ওয়েবসাইটের কন্টেটের সাথে তুলনা করুন।


PHP হলো বাবুর্চী/কুক যে কিনা প্লেটের উপর খাবার গুলো সাজিয়ে দিলো। (PHP কোড গুলো HTML এর মধ্যে লিখতে হয়)


JavaScript হলো, রেস্টুরেন্টের ওয়েটার, যে সরাসরি আপনার সাথে কমিউনিকেট করে।


CSS হলো খাবারের প্লেটে বিভিন্ন উপাদান গুলো যে নিয়মে সাজানো থাকে সেটা । এক পাশে রাইস, এক পাশে চামচ, এক পাশে ভেজিটেবল ইত্যাদি।


..........


রান্নাঘর/ কিচেন হলো সার্ভার। ঐখানে ফ্রিজ সহ অন্যান্য যে সব জায়গায় কাঁচামাল থাকে সেগুলো হলো database। এই কাঁচামাল গুলো কে সাজিয়ে রাখার দায়িত্বে যে আছে সে হলো MySQL.

বাবুর্চী হলো PHP, যে ঐ database এর কাছ থেকে জিনিসপত্র নিয়ে আপনাকে রান্না করে দেয়।

এই ব্যাপার গুলো কি আপনি এখন ভিজুয়ালাইজ করতে পারছেন?

তাহলে এর মধ্যে আপনি একটা ওয়েবসাইটের মোটামুটি নেপথ্যের অনেক কিছু জেনে ফেলেছেন।

বুঝানোর সুবিধার্থে অনেক বিষয় কে খুবই হালকা ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কারণ আমরা এখানে প্রোগ্রামিং শিখবো না।

ওয়েবসাইট বানানো শিখবো, তাই এর সাথে সর্ম্পক আছে এমন ব্যাপার গুলো সম্বন্ধে মোটামুটি ধারণা থাকলে ভালো।
........
এ পর্ব এখানেই শেষ।
আগামী পর্বে থাকবে জুমলা, দ্রুপাল, ওয়ার্ডপ্রেস ইত্যাদি।

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ২

      আজকে আমরা জানবো আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যেগুলো জানা থাকলে অনেক ভালো।

একটা কথা বলে রাখি, আজকের এই পোস্টের বিষয় বস্তু না পড়েও আপনি ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন, কিন্তু সেটা হবে না বুঝে মুখস্ত করার মত।
...............

আপনারা অনেকেই 'অ্যাপাচি'র নাম শুনে থাকবেন। [হেলিকপ্টারের কথা বলছি না।]

এটা হলো, ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার।

সেটা কি জিনিস?
সেটা হলো, ওয়েব সার্ভারের সফটওয়্যার! :)

গান শুনতে, মুভি দেখতে আপনি একটা মিডিয়া সফটওয়্যার ব্যবহার করেন (যেমন, ভিএলসি প্লেয়ার,Winamp ), তা না হলে ঐ গান কোনদিনও নিজে নিজে গেয়ে উঠবে না।

তেমনি, আপনার তৈরী করা ওয়েবসাইট যে পিসিতে রাখবেন সেটাতে যদি সার্ভার সফটওয়্যার না থাকে তাহলে সেটা সার্ভার হিসেবে কাজ করবে না, আর আপনার সাধের ওয়েবসাইটও নিছক কিছু ফাইল হিসেবে পড়ে থাকবে।

আপনার পিসিতে যদি 'অ্যাপাচি' চালু করেন, তাহলে আপনার পিসি একটা সার্ভার হিসেবে কাজ করতে পারবে। তখন সেটা হবে লোকাল সার্ভার, আর যেহেতু তখন আপনি নিজেই হোস্টিং এর দায়িত্ব নিয়েছেন, তাই হোস্ট হবে লোকাল হোস্ট।

"অ্যাপাচি" একমাত্র ওয়েব সার্ভারের সফটওয়্যার না। তাহলে সবাই কেন এটার কথা বলে?

বাস্তবজীবনে আসুন,
গ্রামীনফোন বাংলাদেশের একমাত্র মোবাইল অপারেটর না। কিন্তু এর নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত।দেশের মোটামুটি যেকোন জায়গা থেকে কথা বলতে পারবেন। যার কারনে এর গ্রাহকও বেশি।

''অ্যাপাচি'' যে কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করতে পারে। তাই এর গ্রাহকও বেশি।

অ্যাপাচি নিয়ে আলোচনা শেষ।
........................

MySQL:

ধরুন, একটা লাইব্রেরীর সব বই একটা মাঠের উপর ছড়িয়ে দেয়া হলো। তারপর ৫০ জন মানুষকে মাঠে ছেড়ে দেয়া হল ঐ খান থেকে নির্দিষ্ট ৫০টি বই নিয়ে আসার জন্য।
চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো অবস্থাটা কি দাঁড়ায়!

কিন্তু যদি সেটা লাইব্রেরীতেই বলা হয় তখন? খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনি বই পেয়ে যাবেন। কারণ সেখানে বই গুলো একটা নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা বা management এর অধীনে সাজানো থাকে।

আপনার ওয়েবসাইটের তথ্যগুলোকে সাজিয়ে রাখা, এবং একই সময়ে যেন অনেক মানুষ সেসব তথ্য ব্যবহার করতে পারে, সেগুলো যেন নিরাপদে থাকে------ এ সমস্ত কাজের জন্য দরকার একটা management system.


MySQL আপনার জন্য এ কাজ করে দিবে।

আর কি কোন database management system নেই?
আছে।
তারপরও এটা বেশি ব্যবহার করা হয় কারণ, সব ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করতে পারে। :)

ওয়েবসাইট তৈরীতে database অনেক জরুরী একটি বিষয়।

সামনের পোস্ট গুলোতে এ ব্যাপারে এমনিতেই কথা বলতে হবে, এখন এটুকুই থাক।
......................

FTP:

FTP এর পুরো নাম হলো, File Transfer Protocol.

নাম শুনে ভয় পাবার কিছু নেই, বেচারা অনেক উপকারী।

ধরুন, আপনি আপনার ছোট ভাইকে বললেন, এক গ্লাস পানি এনে দিতে। সে এনে দিলো। আপনি পান করলেন।

তেমনি ভাবে, FTP কে বললেন আপনার পিসি থেকে একটা ফাইল সার্ভারে আপলোড করে দিতে। সে আপলোড করে দিলো।এইতো! :)

সোজা কথা FTP'র মাধ্যমে আপনি আপনার পিসি থেকে আপনার সার্ভারে ফাইল আপলোড করতে পারবেন।


জনপ্রিয় FTP সফটওয়্যারের মধ্যে filezilla অন্যতম।

..................

এই পর্বের এখানেই সমাপ্তি।

নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ১

          আপনি প্রোগ্রামিং এর কিছুই জানেন না এবং আগামীতেও জানার কোন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু আপনার মনে অনেক ইচ্ছা নিজে নিজে একটা ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইট বানাবেন (যেখানে আপনি একাই একশ )। :P এই কাজের জন্য নেটে হাজার হাজার টিউটোরিয়াল আছে। এমনকি এই ব্লগেও প্রচুর পোস্ট আছে। তাহলে আবার কেন লিখতে বসলাম এ সব নিয়ে?? কারণ যারা ঐসব টিউটোরিয়াল দেখেও কিছু বুঝতে পারেন না, অথবা, দু-চার লাইন পড়ে মাথা ঘুরায় :(( , তাদের জন্য এই পোস্ট। এই টিউটোরিয়াল দেখে স্কুলের বাচ্চারাও ওয়েবসাইট বানাতে পারবে। একদম শিশুদের উপযোগী করে লেখা! ) তাই বলে দুই লাফ দিয়ে আমরা ওয়েবসাইট বানানো শুরু করবো না। যথাসম্ভব ব্যাখ্যা করে সামনে যাবো। বুঝার সুবিধার্থে বাস্তবজীবনের সাথে তুলনা করে পুরো টিউটোরিয়াল বর্ণনা করা হবে। চেষ্টা করবো এ বিষয়ক তথ্যগুলো এমন ভাবে লিখতে যেন আপনি সহজেই অনেক কঠিন বিষয় বুঝতে পারেন। .............. ধরে নিলাম, আপনি কিছুই পারেন না, কিছুই জানেন না। কিন্তু জানার ইচ্ছা আছে। আপাতত আপনার এ ইচ্ছাটুকুই যথেষ্ট। মানসিকভাবে প্রস্তুতি রাখুন নতুন কিছু শেখার, তাহলেই পারবেন। .............. এটা পরিচিতি মূলক পোস্ট .............. মনে করি, ওয়েব সাইট বানানোর এই কাজে আপনার কোন টাকা-পয়সা খরচ করার ইচ্ছা নেই আপাতত। প্রথমত, আপনার ওয়েবসাইটের একটা ঠিকানা লাগবে। যার নাম 'ডোমেইন এড্রেস।' আপনার বাসার ঠিকানা দেখে মানুষ যেমন আপনাকে খুঁজে পায় অথবা, মোবাইল নাম্বার দেখে কল করে, তেমনি ডোমেইন নেম দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট অন্যরা খুঁজে পাবে। ধরুন, আপনার নিজের কোন মোবাইল নাম্বার নেই /:) , কিন্তু আপনি চান মোবাইল দিয়ে মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে। তাহলে কি করবেন? আশেপাশের কারো থেকে মোবাইল থেকে কল করবেন অথবা বাসার অন্য কারো নাম্বার আপনার বন্ধুকে দিয়ে বলবেন, সেখানে কল করে আপনাকে ডাকতে। এখন, আপনার ডোমেইন কেনার ইচ্ছা নেই, কিন্তু ডোমেইন দরকার। সুতরাং আপনাকে শরণাপন্ন হতে হবে এমন কোন দয়াবানের কাছে যে আপনাকে ফ্রীতে ডোমেইন দিবে। এ রকম দয়াবান প্রতিষ্ঠান অনেক আছে। তাদের স্বার্থ কী? যে ডোমেইন আপনাকে দিবে তার সাথে সে প্রতিষ্ঠানের নাম-ধাম থাকবে। এ রকম একটা কোম্পানি হলো http://www.co.cc এখান থেকে ফ্রীতে কোন ডোমেইন নিলে তার শেষে .co.cc থাকবে। ডোমেইন নিয়ে সামনের পোস্ট গুলো তে আরো কথা থাকবে, এটা যেহেতু পরিচিতি মূলক পোস্ট তাই আর কিছু লিখলাম না। ............ এখন আমরা জানবো ওয়েব হোস্টিং নিয়ে। আপনার ওয়েবসাইটে আপনি যে সব কন্টেন্ট বা উপাদান (লেখা, ছবি, গান, ভিডিও ) রাখতে চান সেগুলোকে এমন কোন জায়গায় রাখতে হবে যেন কেউ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করলেই সেগুলো দেখতে পায়। একটু বাস্তবজীবনে আসুন । বিয়ের অনুষ্ঠান ক্লাব অথবা কমিউনিটি সেন্টারে কেন হয়? কারণ, সেখানে অনেক মানুষের জায়গা দেয়া সম্ভব হয়, খাবার-দাবার এর আয়োজন ভালোমত করা যায় এ রকম আরো কিছু ব্যাপার। বিয়ের অনুষ্ঠানে ঐ কমিউনিটি সেন্টারকে আপনি বাসার মত করে ব্যবহার করেন, যদিও সেটা আপনার নিজের জায়গা না, ভাড়া নিয়েছেন মাত্র। ওয়েব হোস্টিং হুবহু একই রকম একটি ব্যাপার। আরেকজনের হার্ডডিস্ক আপনি নিজের ওয়েবসাইটের জিনিসপত্র রাখার জন্য ব্যবহার করবেন, বিনিময়ে তাকে টাকা-পয়সা দিতে হবে। (ফ্রীতেও রাখার ব্যবস্থা আছে, চিন্তার কিছু নেই)। নিজের পিসি থাকতে আরেকজনের হার্ডডিস্কে আপনি জিনিসপত্র রাখবেন কেন?? কেন? কেন? :(( :(( :(( কারণ তার পিসিতে থাকবে: ১. Highspeed internet ২. আপনার কল্পনার বাইরের ডিস্ক-স্পেস। ৩. সর্বাধুনিক কম্পিউটার নিরাপত্তা ৪. ২৪ ঘন্টা বিদ্যুত ৫. উন্নত অপারেটিং সিস্টেম সাথে আরো অনেক High-tech জিনিসপত্র। যাদের বাসায় পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা আছে তারা যেমন নিজের বাসায় বিয়ের আয়োজন করেন, তেমনি আপনি চাইলে নিজের পিসিতেই ওয়েবহোস্টিং করতে পারেন। কি কি থাকতে হবে সেটাতো বুঝতেই পারছেন! এই পর্ব এখানেই শেষ। সামনের পর্ব গুলোতে যা যা থাকবে: অ্যাপাচি, MySQL, FTP